NT$44,417,150 পাওয়ার একটি সালিশি রায় বাতিল হয়েছিল তাইওয়ানের হাসপাতাল নির্মাণসংক্রান্ত বিরোধে। ঠিকাদার মধ্যস্থতায় নির্মাণের সময় বাড়ানোর সুপারিশ পেয়েছিলেন, কিন্তু সালিশে গিয়ে আবার অর্থদাবি তোলেন। সেই টাকা নিয়ে কোনো সুপারিশ ছিল না—সর্বোচ্চ আদালতের 106年度台上字第723號 মামলার ব্যাখ্যায় এই ফারাকটি উঠে আসে।
12 জুলাই 2017 সর্বোচ্চ আদালত ঠিকাদারের আপিল খারিজ করে। সালিশি রায় বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। সরকারি বিবৃতিতে ওই মামলার নিষ্পত্তি চূড়ান্ত হওয়ার কথাও আছে। নির্দিষ্ট অর্থবিরোধটির জন্য পক্ষগুলোর সম্মতিতে সালিশি চুক্তি ছিল না, আর আইনের বলে চুক্তি আছে ধরে নেওয়ার শর্তও পূরণ হয়নি।
একই প্রকল্পে দাবির বদল
একই বিলম্ব থেকে বাড়তি সময় ও বাড়তি খরচের দাবি উঠতে পারে। কিন্তু মধ্যস্থতার নথিতে কোন প্রতিকার চাওয়া হয়েছে, তা আলাদাভাবে দেখা হয়েছিল:
| পর্যায় | দাবি ও সিদ্ধান্তের বিষয় |
|---|---|
| প্রথম আবেদন | ঠিকাদার আর্থিক ক্ষতিপূরণ চান। |
| সংশোধিত আবেদন | দাবি বদলে নির্মাণের সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়। |
| কমিটির সুপারিশ | সময় বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচিত হয়; সরকারি সংস্থা তাতে একমত হয়নি। |
| পরের অর্থদাবি | ঠিকাদার আবার টাকা চান, কিন্তু সালিশের আগে সেই দাবি নিয়ে সুপারিশ বা প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। |
শুধু মধ্যস্থতা ব্যর্থ হওয়ার সনদ যথেষ্ট ছিল না, কারণ সরকারি সংস্থাকে সংশ্লিষ্ট অর্থবিরোধের সুপারিশ গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের সুযোগ পেতে হতো। আদালতের ব্যাখ্যায় এই সুযোগের কথাই বলা হয়েছে। সর্বোচ্চ আদালত প্রযোজ্য আইনটির সংস্করণ নিয়ে নিম্ন আদালতের যুক্তিও সংশোধন করে; বাতিলের ফল বহাল থাকলেও আগের সব যুক্তি অনুমোদিত হয়নি।
সংস্থা কখন সালিশ প্রত্যাখ্যান করতে পারে না
চুক্তি বাস্তবায়নের বিরোধে পক্ষগুলো একমত না হলে সরকারি ক্রয় আইনের অনুচ্ছেদ 85-1 সংশ্লিষ্ট ক্রয় অভিযোগ পর্যালোচনা কমিটিতে মধ্যস্থতার ব্যবস্থা রাখে। সরবরাহকারী মধ্যস্থতা চাইলে সংস্থা তা প্রত্যাখ্যান করতে পারে না। সালিশের জন্য আরও শর্ত আছে।
নির্মাণকাজ বা কারিগরি সেবার ক্ষেত্রে কমিটিকে মধ্যস্থতার সুপারিশ বা প্রস্তাব দিতে হয়; সংস্থা তাতে অসম্মত হওয়ার কারণে মধ্যস্থতায় সমঝোতা না হলে সরবরাহকারীর বিরোধটি সালিশে দেওয়া সংস্থা প্রত্যাখ্যান করতে পারে না। এই সুযোগ সেই নির্দিষ্ট বিরোধের সঙ্গে যুক্ত।
হাসপাতালের মামলায় সম্মত সালিশি ধারা কিংবা আইন থেকে সম্মতি ধরে নেওয়ার প্রয়োজনীয় ঘটনা আদালত পায়নি। ফলে সালিশ আইনের অনুচ্ছেদ 40-এর প্রথম দফার দ্বিতীয় উপদফায় সালিশি চুক্তি না থাকার যে বাতিলের ভিত্তি আছে, সেটি প্রয়োগ করা হয়।
সব সরকারি ক্রয় নির্মাণকাজ নয়। যন্ত্রপাতি কেনা বা অন্য চুক্তি এই বিশেষ পথের আওতায় পড়ে কি না, আগে তার শ্রেণি দেখতে হয়। পক্ষগুলোর আলাদা সালিশি চুক্তি থাকলেও সেটি নিজস্ব শর্তে পরীক্ষা করতে হবে।
নতুন কাজের সুযোগ ও পুরোনো মধ্যস্থতার নথি
30 সেপ্টেম্বর 2026-এর মার্কিন International Trade Administration-এর প্রতিবেদনে তাইওয়ানের বিদ্যুৎ ও গ্রিড খাতে 2026 সালের শেষভাগ এবং 2027 সালের পরিকল্পিত ক্রয়ের কথা আছে, যার মধ্যে মার্কিন সরবরাহকারীদের সম্ভাব্য সুযোগও রয়েছে। এগুলো সম্ভাবনার বিবরণ। নির্দিষ্ট দরপত্র এখন খোলা, কোনো কোম্পানি যোগ্য কিংবা ভবিষ্যৎ চুক্তিটি নির্মাণকাজ বা কারিগরি সেবা—এই সিদ্ধান্ত ওই প্রতিবেদন থেকে আসে না।
দরপ্রস্তাব তৈরির সময়ই চুক্তির শ্রেণি ও বিরোধ নিষ্পত্তির ধারা দেখা যায়। বাস্তবায়নের পরে সময় বাড়ানোর দাবিতে খরচ যোগ হলে, সেই পরিবর্তন মধ্যস্থতার আবেদনে কীভাবে লেখা হয়েছে তা প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। প্রকল্প দলের কাছে একই বিলম্ব হলেও প্রক্রিয়ার নথিতে ভিন্ন প্রতিকার চাওয়া থাকতে পারে।
এখন সালিশে যে টাকা চাওয়া হচ্ছে, কমিটি কি সেই দাবিটি বিবেচনা করেছিল? মূল আবেদন, সংশোধন, সুপারিশ বা প্রস্তাব, সংস্থার প্রতিক্রিয়া এবং প্রস্তুত সালিশি দাবি মিলিয়ে উত্তর খুঁজতে হয়। শুধু সমঝোতা হয়নি বললে এই তুলনা বাকি থাকে।
অঙ্ক বদলালেই নতুন বিরোধ হয় না। আইনি যুক্তি পরিমার্জনের ক্ষেত্রেও একই কথা। আবার একই প্রকল্প নম্বর থাকাই দাবি অপরিবর্তিত থাকার প্রমাণ নয়; 2017 সালের ঘটনায় সময় বাড়ানো থেকে অর্থদাবিতে ফেরার নথিপত্র পরীক্ষা করতে হয়েছিল।
কোনো অংশ মধ্যস্থতায় বিবেচিত না হলে, আইনি পর্যালোচনায় আলাদা সালিশি চুক্তি আছে কি না বা সেই দাবির জন্য আরও মধ্যস্থতা প্রয়োজন কি না দেখা যায়। যোগাযোগের ইংরেজি পাতায় প্রাথমিক বিবরণে প্রকল্পের শ্রেণি, চাওয়া প্রতিকার ও পরের প্রক্রিয়াগত তারিখ জানানো যায়; পরামর্শের ভাষা ইংরেজি, চীনা, কোরীয় ও জাপানি। আবেদন থেকে মধ্যস্থতার সমাপ্তি পর্যন্ত দাবি ও প্রতিক্রিয়ার নথিগুলো একসঙ্গে থাকলে ঠিক কোন পর্যায়ে অর্থদাবিটি উঠেছিল, তা দেখা সম্ভব হয়।
বর্তমান আইন ও বাণিজ্যসংক্রান্ত সূত্র 26 অক্টোবর 2026-এ যাচাই করা হয়েছে। মামলার বিবরণ 25 অক্টোবর দেখা সর্বোচ্চ আদালতের সরকারি ব্যাখ্যা থেকে নেওয়া। এই আলোচনা নির্দিষ্ট বিরোধের উপযুক্ত দপ্তর বা আবেদন করার শেষ দিন নির্ধারণ করে না।
সরকারি সূত্র
- সর্বোচ্চ আদালতের 106年度台上字第723號 মামলার ব্যাখ্যা, 12 জুলাই 2017।
- সরকারি ক্রয় আইন, অনুচ্ছেদ 85-1।
- সালিশ আইন, অনুচ্ছেদ 40, প্রথম দফা, দ্বিতীয় উপদফা।
- ITA: তাইওয়ানের জ্বালানি শিল্প, 30 সেপ্টেম্বর 2026।
প্রশ্নোত্তর
- মধ্যস্থতায় সমঝোতা না হলেই কি তাইওয়ানের সরকারি সংস্থার বিরুদ্ধে সালিশ করা যায়?
- সব ক্ষেত্রে নয়। নির্মাণকাজ বা কারিগরি সেবার জন্য আইনে নির্ধারিত পথে সংশ্লিষ্ট ক্রয় অভিযোগ পর্যালোচনা কমিটির সুপারিশ বা প্রস্তাবে সরকারি সংস্থার অসম্মতির কারণে মধ্যস্থতা ব্যর্থ হতে হবে। সালিশে তোলা নির্দিষ্ট বিরোধের সঙ্গে সেই প্রক্রিয়ার নথি মিলিয়ে দেখতে হয়। আলাদা সালিশি চুক্তি থাকলে অন্য ভিত্তি থাকতে পারে।
- দাবিতে যেকোনো পরিবর্তন হলেই কি সালিশের পথ বন্ধ বলে সর্বোচ্চ আদালত সিদ্ধান্ত দিয়েছিল?
- এ মামলায় সময় বাড়ানোর সুপারিশের পরে ঠিকাদার আবার অর্থদাবিতে ফেরেন। তাই বলে প্রতিবার অঙ্ক বা আইনগত যুক্তি বদলালেই নতুন বিরোধ হয়, এমন নিয়ম আদালত স্থির করেনি। ঘটনা, চাওয়া প্রতিকার ও প্রক্রিয়ার নথি পাশাপাশি দেখতে হয়।
This article provides general information and is not legal advice on any individual matter.



